মিশন:

জ্ঞান, দক্ষতা, যোগ্যতা ও নৈতিকতার উতকর্ষ সাধন, মেধা, মনন, ও সৃজনশীলতায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন, দেশপ্রেম ও জবাবদিহিতায় উদ্দীপ্ত নেতৃত্ব বিনির্মাণ এবং মানবকল্যাণে একক ও সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা ।

ভিশন:

কল্যাণময় সমাজ বিনির্মাণে সকল মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত কাঙ্খিত প্রজম্ম ও নেতৃত্ব তৈরী করা।

সেলিম আহমেদ

মোঃ রেজাউল করিম

গুণগত শিক্ষা ও শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ শিক্ষার্থীকে করবে সমৃদ্ধ, এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ

* স্নেহের শিক্ষার্থী বৃন্দঃ

সম্মানিত অভিভাবক ও প্রিয় সহকর্মীবৃন্দ, সবাই কে জানায় আন্তরিক শুভেছা, ভালোবাসা ও অভিনন্দন৷ গোয়ালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলাধীন গোয়ালা ইউনিয়নের অর্ন্তগত একমাত্র নারী শিক্ষার বিদ্যাপীঠ। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে বিদ্যালয়টি অদ্যবধি অত্যন্ত যত্ন সহকারে পরিচালিত হয়ে আসছে৷ এখানে শুধু পুথিগত বিদ্যার মধ্যে শিক্ষার্থীদের সিমাবদ্ধ রাখা হয় না। পড়ালেখার পাশাপাশি এখানে বিভিন্ন কো-কারিকুলাম ও এ্যাক্টিভিটিস এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও নৈতিক মূল্য বোধের জাগরন ঘটানোর চেষ্টা করে চলেছে৷ ফলশ্রুতিতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিভিন্নগুরুত্ব পূর্ণ পেশায় নিয়োজিত হতে সক্ষম হয়েছে৷ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রীদের রয়েছে অদম্য ভালোবাসা৷ তাদের এ ভালোবাসকে সামনে রেখে আমাদের এ পথ চলা৷

* সম্মানিত অভিভাবকগণ:

আপনাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদটিকে কাংখিত রুপে রুপায়ন করার মানসে আমাদের কাছে অর্পন করে থাকেন৷ আর আমরা শিক্ষকগণ আমাদের মেধা ও মনন দিয়ে আন্তরিকতার সাথে আপনার সম্পদটিকে কাংখিত রূপে রুপায়নের চেষ্টা করে থাকি। আপনার সন্তান হয়তো এক জন বা দুই জন৷ আমাদের কাজ করতে হয় বিভিন্ন পরিবার ও পরিবেশ থেকে আগত বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে৷ এ জন্য আপনাদের সহযোগীতা ছাড়া এই কর্মযজ্ঞে সফলতা আনায়ন করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার৷ কাজেই তাদের শারিরিক ও মানষিক, স্বাস্থ্যের দিকে খৈয়াল রেখে বিদ্যালয়ের নিয়ম কানুন মেনে তাদের নিয়মিত বিদালয়ে পাঠিয়ে আমাদের সহযোগিতা করবেন৷

* প্রিয় সহকর্মীবৃন্দ:

বিগত বছরের বিদ্যালয়ের সকল সফলতার জন আপনাদের অবদান কৃতজ্ঞতা চিত্তে স্মরণ করি৷ আপনারা প্রতি বছর আপনাদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও আন্তরিকতার সহিত কমলমতি শিক্ষার্থীদের গঠন করে থাকেন৷ আশাকরি আগামী দিনগুলো নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে সফলভাবে অতিবাহিত করবেন।

*স্নেহের শিক্ষার্থীবৃন্দঃ

আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং নিয়মিত অধ্যাবসায় একজন দুর্বল শিক্ষার্থীকে সবল করে তোলে৷ বর্তমানের এই আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক যুগে অলস ভাবে সময় অতিবাহিত করার কোনো সুযোগ নেই। কাজেই কোনো বিকল্প না ভেবে নিয়মিত বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকদের সানিধ্যে পাঠ গ্রহন করে নিজেকে ভবিষ্যতের জন্য যথার্থ রূপে তৈরি করা সম্ভব৷ এ পর্যন্ত যত শিক্ষার্থী উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করেছে৷ তারা প্রত্যেকে নিয়মিত ছাত্রী ছিল। মনে রাখবে শিক্ষা তোমাদের অধিকার, পাঠের কোনো বিষয় দুর্বোধ্য মনে হলে শিক্ষকগণের কাছ থেকে জেনে নিবে৷ বিশ্বাস করি এ ব্যাপারে আমাদের শিক্ষকগণ খুবই আন্তরিকা

পরিশেষে, সকলের জীবন সমৃদ্ধময় হয়ে উঠুক এ শুভ কামনা রইলো সবার প্রতি।